- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
জয়ের পাল্লা ভারী বিএনপির
- আপডেটেড: মঙ্গলবার ০৩ Feb ২০২৬
- / পঠিত : ৪৩ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে চলছে জমজমাট প্রচার। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবারের নির্বাচনে অংশ নিতে পারছে না আওয়ামী লীগ। এই অনুপস্থিতির সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সেই ২৮টি সংসদীয় আসনে, যেখানে ১৯৯১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কখনও পরাজিত হয়নি। দলটির প্রার্থী না থাকায় এসব আসনে রাজনৈতিক সমীকরণ একেবারেই বদলে গেছে।
সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের সহিংসতা ও হত্যা মামলার পর এসব এলাকার বহু আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী এখনও পলাতক কিংবা আত্মগোপনে রয়েছেন। যারা এলাকায় অবস্থান করছেন, তাদের বড় একটি অংশ নিরাপত্তা ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার কারণে ভোটকেন্দ্রে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কেউ কেউ আবার স্থানীয় বাস্তবতায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাদের সঙ্গে সমঝোতার মাধ্যমে বাধ্য হয়ে ভোটে যেতে পারেন।
এই প্রেক্ষাপটে ২৮টি আসনের বেশির ভাগেই ধানের শীষ ও দাঁড়িপাল্লার লড়াই দেখা গেলেও মাঠপর্যায়ের হিসাব অনুযায়ী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা তুলনামূলকভাবে সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন। তবে আওয়ামী লীগের ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাংকের একটি বড় অংশ এখনও সিদ্ধান্তহীন থাকায় শেষ মুহূর্তে ভোটের ফল কোন দিকে যাবে, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে।
আওয়ামী লীগ যে ২৮ আসনে কখনও হারেনি
ঠাকুরগাঁও-২, দিনাজপুর-৫, সিরাজগঞ্জ-১, নড়াইল-১, বাগেরহাট-১, বাগেরহাট-৩, খুলনা-১, বরগুনা-১, পটুয়াখালী-৩, পটুয়াখালী-৪, টাঙ্গাইল-১, জামালপুর-৩, ময়মনসিংহ-১০, গাজীপুর-১, গাজীপুর-৩, ফরিদপুর-১, গোপালগঞ্জ-১, গোপালগঞ্জ-২, গোপালগঞ্জ-৩, মাদারীপুর-১, মাদারীপুর-২, মাদারীপুর-৩, শরীয়তপুর-৩, সুনামগঞ্জ-৩, হবিগঞ্জ-২, হবিগঞ্জ-৪ ও বান্দরবান-১।
হবিগঞ্জ-৪ আসনে মোট ৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী স্বতন্ত্র প্রার্থী, এসএম ফয়সল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীক এবং আহমদ আবদুল কাদের খেলাফত মজলিস থেকে দেয়ালঘড়ি প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে মোট ৭ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। শেখ মুশতাক আহমদ খেলাফত মজলিস থেকে, মো. আনোয়ার হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে এবং বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে এবং সৈয়দ তালহা আলম আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) থেকে ঈগল প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শরীয়তপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপির মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু ও জামায়াতে ইসলামীর মুহাম্মদ আজহারুল ইসলামের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
মাদারীপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে স্বতন্ত্র জাহাজ প্রতীকে কামাল জামান মোল্লা, স্বতন্ত্র ফুটবল প্রতীকে সাজ্জাদ হোসেন সিদ্দিকী, স্বতন্ত্র হরিণ প্রতীকে মো. ইমরান হাসান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে নাদিরা আক্তারের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। এই আসনে নৌকা সমর্থকরা বিএনপির পক্ষে কাজ করছে বলে জানা গেছে।
মাদারীপুর-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস থেকে রিকশা প্রতীকে আব্দুস সোবাহান, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে ধানের শীষ প্রতীকে মো. জাহান্দার আলী মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে আলী আহমাদ চৌধুরী, স্বতন্ত্র কলস প্রতীকে মিল্টন বৈদ্য ও স্বতন্ত্র মোটরসাইকেল প্রতীকে সহিদুল ইসলাম খান প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মাদারীপুর-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৫ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে আনিছুর রহমান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মো. রফিকুল ইসলামের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ প্রার্থী। আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন বিএনপির প্রার্থী মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা। তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে পারেন গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া।
গোপালগঞ্জ-২ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১৩ জন। এই আসনে জনমতের পাল্লা ভারী স্বতন্ত্র প্রার্থী কামরুজ্জামান ভূঁইয়া লুটুলের দিকে। তার প্রতিদ্বন্দ্বী আকে স্বতন্ত্র প্রার্থী এমএইচ খান মঞ্জু। ধানের শীষ প্রতীকে লড়ছেন কেএম বাবর।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৮ জন প্রার্থী। এই আসনে ভোটারদের মুখে শোনা যাচ্ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী গোবিন্দচন্দ্র প্রামাণিকের নাম। এই আসনে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের আধিক্য একটি বড় ফ্যাক্টর। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় গোবিন্দচন্দ্র প্রামাণিক সংখ্যালঘু ভোটসহ নিরপেক্ষ ভোটারদের একটি বড় অংশ নিজের পক্ষে টানতে সক্ষম হবেন বলে ধারণা করছেন ভোটাররা। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী।
ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৯ জন প্রার্থী। তাদের মধ্যে বিএনপির খন্দোকার নাসিরুল ইসলাম, স্বতন্ত্র জাহাজ প্রতীকে মোহাম্মদ আরিফুর রহমান ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে? মো. ইলিয়াস মোল্লার মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা চলছে।
গাজীপুর-৩ আসনের প্রার্থীরা হলেনÑ বিএনপির অধ্যাপক ডা. এসএম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ এহসানুল হক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আলমগীর হোসাইন, এবি পার্টির মো. কৌশিক আহমেদ, বাসদের আশিকুল ইসলাম পিয়াল, জাতীয় পার্টির নাজিম উদ্দীন। এ আসনে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী বসে গিয়ে খেলাফত মজলিসকে ছেড়ে দিয়েছে। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিএনপির সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ইজাদুর রহমান।
ময়মনসিংহ-১০ আসনে বিএনপির মোহাম্মদ আক্তারুজ্জামান বাচ্চু পেয়েছেন ধানের শীষ। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বকর সিদ্দিকুর রহমান হাঁস প্রতীকে মাঠে থাকায় ভোটের হিসাব আরও জটিল হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর মো. ইসমাঈল (দাঁড়িপাল্লা) প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন।
জামালপুর-৩ আসনে বিএনপির মো. মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল ও জামায়তের মো. মজিবুর রহমান আজাদীর মধ্যে লড়াই হবে। এই আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছে।
টাঙ্গাইল-১ আসনে মোট প্রার্থী ছয়জন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টি থেকে লাঙ্গল প্রতীকে মুহাম্মদ ইলিয়াছ হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে মুহাম্মদ আব্দুল্লাহেল কাফী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে হাতপাখা প্রতীকে মো. হারুন অর রশিদ, বিএনপি থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ফকির মাহবুব আনাম, স্বতন্ত্র থেকে মোটরসাইকেল প্রতীকে মোহাম্মদ আলী এবং স্বতন্ত্র থেকে তালা প্রতীকে মো. আসাদুল ইসলাম প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এই আসনে বিএনপির অবস্থা তুলনামূলক ভালো।পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপি সমর্থিত ধানের শীর্ষ প্রতীকের প্রার্থী ও বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক আলহাজ এবিএম মোশাররফ হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ মো. মোস্তাফিজুর রহমান, জামায়াত জোট সমর্থিত দেয়ালঘড়ি প্রতীকের খেলাফত মজলিসের ডা. জহির উদ্দিন আহমেদ এবং গণধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. রবিউল হাসান। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, মূল লড়াই হবে ধানের শীর্ষ ও হাতপাখার মধ্যে।
বরগুনা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম মোল্লা (ধানের শীষ) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর প্রার্থী মো. মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ (হাতপাখা), খেলাফত মজলিসের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জাহাঙ্গীর হোসাইন (দেয়ালঘড়ি) এবং জাতীয় পার্টির (জেপি) প্রার্থী মো. জামাল হোসেন (সাইকেল)।
খুলনা-১ আসনে মূল লড়াই হবে ধানের শীষ প্রতীকে আমীর এজাজ খান ও জামায়াতই ইসলামীর প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দীর মধ্যে তুমুল লড়াই হবে।
ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সাত প্রার্থী লড়াই করছেন। এর মধ্যে জাতীয় পার্টির জামায়াতে ইসলামীর সাবেক আমির আব্দুল হাকিম, বিএনপির ডা. আব্দুস সালাম ও গণঅধিকার পরিষদের ফারুক হোসেনের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে।
বাগেরহাট-১ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন কপিল কৃষ্ণ মন্ডল। আসনটিতে প্রায় এক-চতুর্থাংশ হিন্দু ভোটার থাকায় এবং একটি বড় দলের প্রার্থী হওয়ায় তিনি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী। তবে তার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছেন আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোড়া প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বিএনপির সাবেক এমপি এমএএইচ সেলিম। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মশিউর রহমান।
বাগেরহাট-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম, জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিল্লুর রহমান ও জেএসডির হাবিব মাস্টার। এই আসনে বিএনপির গ্রুপিংয়ে জামায়াত সুবিধাজনক অবস্থানে।
নড়াইল-১ আসন। দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের দখলে থাকা এ আসনটিতে এবারের নির্বাচনে জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী বিএনপির প্রার্থী বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম। এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর মাওলানা ওবায়দুল্লাহ কায়সার ও কলস প্রতীক পাওয়া স্বতন্ত্র প্রার্থী জিয়া পরিষদ নেতা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক (অব.) বিএম নাগিব হোসেন। দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে বিএনপির বড় একটি অংশ বিএম নাগিব হোসেনের পক্ষে কাজ করছেন।
দিনাজপুর-৫ আসন আওয়ামী লীগের দুর্গ বলে পরিচিত। আওয়ামী লীগের পতনের পর থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ঘরছাড়া। বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক ও উপজেলা বিএনপির সভাপতি এজেডএম রেজওয়ানুল হক, বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ব্যক্তিগত আইন উপদেষ্টা ব্যারিস্টার একেএম কামারুজ্জামান ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক ডা. আব্দুল আহাদের মধ্যে লড়াই হবে। তবে বিএনপির প্রার্থী এগিয়ে।
গাজীপুর-১ আসনে আসনটিতে টানা চারবার সংসদ সদস্য হন আ ক ম মোজাম্মেল হক। এবার এই আসনে বিএনপির প্রার্থী সাবেক পৌর মেয়র মো. মজিবুর রহমান এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী শাহ আলম বকশী। এ ছাড়া ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের জিএম রুহুল আমীন, স্বতন্ত্র প্রার্থী এমারত হোসেন খান ও মার্কসবাদী দলের প্রার্থী আছেন তাসলিমা আক্তার। এই আসনেও বিএনপি প্রার্থীর অবস্থা তুলনামূলক ভালো বলে জানা গেছে।
হবিগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ডা. আবু মনসুর সাখাওয়াত হাসান জীবন। সংখ্যালঘু ভোটাররা ব্যক্তি হিসেবে তাকেই বেঁচে নেবেন বলে পর্যবেক্ষক মহল ধারণা করছেন। হবিগঞ্জ-৪ আসনে আসনে বিএনপির এসএম ফয়সল একজন হেভিওয়েট প্রার্থী হয়েও চা শ্রমিক ও সংখ্যালঘু ভোটের মারপ্যাঁচে প্রতিবারই তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও বিজয়ী হতে পারেননি। তবে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নৌকা না থাকায় চা শ্রমিকদের ভোটে আগ্রহ কম। এবার নৌকা না থাকায় বিএনপি প্রার্থী সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন।
পটুয়াখালী-৩ আসনে বিএনপি জোটের প্রার্থী ভিপি নূরকে পরাজিত করতে মাঠে একাট্টা হয়ে কাজ করছে আওয়ামী ও বিএনপি। এ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে বিদ্রোহী (স্বতন্ত্র) প্রার্থী হয়েছেন দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন।
সিরাজগঞ্জ-১ আসনটি আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত হলেও এবার এ দুর্গ ভাঙতে চায় বিএনপি। এ আসন থেকে কাজীপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সেলিম রেজা দলীয় মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে লড়ছেন। অন্যদিকে এই আসনে সরব রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী জেলা জামায়াতের আমির মো. শাহিনুর আলম। জামায়াত-বিএনপি ছাড়াও জাতীয় পার্টির জহুরুল ইসলাম, নাগরিকঐক্য থেকে নাজমুস সাকিব, গণঅধিকার পরিষদ থেকে মল্লিকা খাতুন এবং স্বতন্ত্র হিসেবে আব্দুস সবুরসহ ৬ প্রার্থী ভোটযুদ্ধে লড়াই করছেন। এ ছাড়া বান্দরবান-১ আসনে ত্রিমুখী লড়াই হবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন















