বদলে যাচ্ছে প্রাথমিকের ছুটির ক্যালেন্ডার
- আপডেটেড: সোমবার ২৯ Sep ২০২৫
- / পঠিত : ১৪৯ বার

দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে বার্ষিক ছুটি কমিয়ে আনার পরিকল্পনা করছে সরকার। বর্তমানে বছরে ৭৯ দিন ছুটি থাকলেও নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী তা কমিয়ে ৬০ দিন করা হবে। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীরা বছরে অতিরিক্ত ১৯ দিন ক্লাস করার সুযোগ পাবে।
রোববার সাতক্ষীরায় আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) আবু নূর মো. শামসুজ্জামান এই তথ্য জানান। তিনি বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বছরে প্রায় ১৭৯ দিন খোলা থাকে। ছুটি প্রায় ৭৯ দিন। তাই শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে আরও বেশি সময় দেওয়ার জন্য ছুটি কমানোর চিন্তা করা হচ্ছে।’
ছুটি কমানোর আলোচনার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে। মহাপরিচালক স্কুলের আশেপাশে বিক্রি হওয়া অস্বাস্থ্যকর খাবার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘প্রায় সব স্কুলের বাইরে ঝালমুড়ি, ফুচকা, আইসক্রিমসহ নানা মুখরোচক খাবার বিক্রি হয়, যেখানে স্বাস্থ্যবিধি মানা হয় না। ফুচকা বিক্রেতারা প্রায়ই এক বালতি পানি দিয়েই সব কাজ সারে, যা খুবই অস্বাস্থ্যকর।’
শিক্ষকদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, ‘শুধু খাবারের প্রাপ্যতা নয়, খাবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও এখন সময়ের দাবি।’ তিনি তথাকথিত জাঙ্ক ফুডের বিষয়েও সবাইকে সতর্ক করেন।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সির (জাইকা) কারিগরি সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এই কর্মশালার আয়োজন করে। জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. জাকারিয়া। এতে জেলার ৪০ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অংশ নেন। কর্মশালায় নিরাপদ খাদ্য, স্বাস্থ্যবিধি ও হাত ধোয়ার পদ্ধতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, যা তারা শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের শেখাবেন।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















