বিপদসীমার দ্বারপ্রান্তে তিস্তা, খুলে দেওয়া হলো ৪৪টি জলকপাট
- আপডেটেড: রবিবার ০৫ Oct ২০২৫
- / পঠিত : ১৫২ বার

উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বর্ষণে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমার কাছাকাছি চলে আসায় দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্পের ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাটই খুলে দেওয়া হয়েছে। নদীর পানি দ্রুত বাড়তে থাকায় নীলফামারী, লালমনিরহাট ও রংপুরের তিস্তাপাড়ের মানুষের মধ্যে বন্যার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) জানিয়েছে, রোববার বিকেল ৩টার দিকে তিস্তা ব্যারেজের ডালিয়া পয়েন্টে পানির প্রবাহ রেকর্ড করা হয় ৫২ দশমিক ১৪ মিটার, যা বিপদসীমা ৫২ দশমিক ১৫ মিটারের মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচে। মূলত, উজানে ভারতের দার্জিলিং ও কালিম্পং অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই পাহাড়ি ঢল নামছে।
পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার অন্তত নয়টি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ডিমলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী ও গয়াবাড়ী ইউনিয়ন। এছাড়া জলঢাকার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এতে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানিয়েছেন, রাতের দিকে পানি আরও বাড়তে পারে, যা তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার ঝুঁকি বাড়াবে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান বলেন, ‘ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে চলছে। তিস্তা নদীর পানি বেড়ে গেলে সবকিছু পানিতে তলিয়ে যায়, এতে ঘরবাড়ি ছাড়া হয়ে পড়ে কয়েক হাজার মানুষ’।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















