- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
দিল্লির তলব ও বক্তব্যের কড়া জবাব দিলো ঢাকা
- আপডেটেড: বৃহস্পতিবার ১৮ Dec ২০২৫
- / পঠিত : ৬১ বার

বাংলাদেশের নির্বাচন ব্যবস্থা ও প্রক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত, তা নিয়ে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের কোনো প্রকার দিকনির্দেশনা বা ‘নসিহত’ প্রয়োজন নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে ঢাকা। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, বিষয়টি বর্তমান সরকারের কাছে পুরোপুরি অগ্রহণযোগ্য। তার মতে, বাংলাদেশ এখন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে রয়েছে, তাই এই মুহূর্তে বাইরের কারও উপদেশের দরকার নেই।বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই মন্তব্য করেন। এর আগে একই দিন সকালে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিল্লিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহকে তলব করেছিল। সেখানে কী বার্তা দেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা ভারতের মনোভাব নিয়ে ঢাকার অসন্তোষ প্রকাশ করেন।বিগত সরকারগুলোর আমলে অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর প্রসঙ্গ টেনে উপদেষ্টা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে যাদের সঙ্গে ভারতের অত্যন্ত মধুর সম্পর্ক বজায় ছিল, তাদের শাসনামলে একের পর এক প্রহসনমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও দিল্লি তখন টুঁ শব্দটিও করেনি। অথচ বর্তমান সরকার যখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হচ্ছে, তখন তাদের এমন অযাচিত উপদেশ বিস্ময়কর এবং অনাকাঙ্ক্ষিত।
তৌহিদ হোসেন জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই একটি ‘উচ্চমানসম্পন্ন’ নির্বাচন আয়োজনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে। এমন একটি পরিবেশ তৈরি করাই তাদের মূল লক্ষ্য, যেখানে জনগণ নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। যাদের জনগণ ভোট দেবে, তারাই প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হবে—যা গত দেড় দশকে দেশের মানুষ দেখার সুযোগ পায়নি।ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশ বা জোটগুলোর মন্তব্যের সঙ্গে ভারতের বক্তব্যের মৌলিক পার্থক্য তুলে ধরেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি জানান, অন্য দেশগুলোর সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে এবং তারা নির্বাচন কমিশন ও সরকারের সঙ্গে পর্যবেক্ষক পাঠানোর বিষয়ে কাজ করছে, যা সরকার ইতিবাচকভাবেই দেখছে। কিন্তু ভারতের বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন। কারণ তারা একটি বিবৃতির মাধ্যমে বর্তমান অবস্থানকে অগ্রহণযোগ্য বলছে এবং নির্বাচন কেমন হতে হবে—সে বিষয়ে নির্দেশনা দিতে চাইছে, যা গ্রহণ করার মতো নয়।
ভারতের এমন হঠাৎ জেগে ওঠা মনোভাব বা সেন্টিমেন্ট গত ১৫ বছরে একবারও দেখা যায়নি বলে উল্লেখ করেন তিনি। পররাষ্ট্র উপদেষ্টার ভাষ্যমতে, প্রতিবেশী হিসেবে তাদের আচমকা এই উদ্বেগের কোনো যৌক্তিকতা নেই। আমরা কী করব, তা আমরাই ঠিক করব এবং একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমেই তা দৃশ্যমান হবে।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















