- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
কেউ কথা রাখেনিঃ সরকারের পর সরকার যায়, কাটেনা দূর্ভোগ!
- আপডেটেড: বৃহস্পতিবার ০৬ Aug ২০২৬
- / পঠিত : ৫৭ বার

এস এম তাজাম্মুল,মণিরামপুরঃ শুধুই ভোটের সময় কদর করে ভোট চাই,নির্বাচন শেষ হয়! এক সরকার যায় আরেক সরকার আসে! নেতাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি শুধু শোনা যায়,তার বাস্তবায়ন হয়না। বিগত সরকারের আমলে উন্নয়নের জোয়ারে দেশ ভাসলেও স্থানীয় কয়েকজন পাতি নেতার ঠেলাঠেলিতে অধরাই থেকে যায় যুগের পর যুগ ভোগান্তিতে থাকা শতাধিক পরিবারের দূর্ভোগ। আকাশে মেঘের ছায়ার সাথে উল্লেখিত ভুক্তভোগীদের কপালে চিন্তার ভাজ পড়ে। কৃষক,দিনমজুর,ব্যবসায়ী সহ শতাধিক পরিবারের বসবাসরত সকল শ্রেনী পেশার মানুষের ভোগান্তির একমাত্র কারন চলাচলের একমাত্র মাধ্যম প্রায় দেড় কিলোমিটারের কাঁচা রাস্তা। সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়তে হয় প্রাথমিক,মাধ্যমিকে অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীদের। চলতি এ প্রতিবেদনে উঠে এসেছে বৃহত্তর যশোরের মণিরামপুর উপজেলার ১নং রহিতা ইউনিয়নের এড়েন্দা বাজার মোড় হতে মাঠপাড়া হয়ে সরদার পাড়ার বাসিন্দাদের প্রধান সড়কের জরাজীর্ণ অবস্থা। সর্বশেষ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগেও সংসদীয় আসনের সংসদ সদস্য এড গাজী এনামুল হক (এমপি) উল্লেখিত এলাকার ভোটারদের সরাসরি পাকা সড়কের প্রতিশ্রুতি দিলেও এখনো সেই কর্দমাক্ত জরাজীর্ণ কাঁচা অবস্থায় থাকাতে ক্ষোভ ও আক্ষেপ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের ভোগান্তি লাগবের জন্য জোর দাবী জানিয়েছে স্থানীয় ভুক্তভোগী জনসাধারণ।
ভৌগলিক ভাবে মনিরামপুর উপজেলার ০১ নং রোহিতা ইউনিয়নের এড়েন্দা বাজার মোড় হতে মাঠ পাড়া হয়ে সরদার পাড়ার কাদায় জরাজীর্ণ এলাকাটি পার্শবর্তী যশোর কোতোয়ালি থানার গা ঘেঁষা হওয়ায় অত্র এলাকার এ শোচনীয় দূর্বস্থায় আছে বলে অনেকেই মন্তব্য তুলেছে। এড়েন্দা বাজারের চার রাস্তার মোড় হতে তিন দিকে পাকা রাস্তা চলে গেলেও একমাত্র কাঁচা রাস্তাটিতে অজানা কোন কারনে যুগের পর যুগ কাঁদা-পানিই থেকে গেছে। অথচ, মাঠ পাড়া ও সরদার পাড়া সহ এড়েন্দা বাজার মোড় এলাকারও কয়েক জনের ঐ কাঁচা রাস্তা দিয়েই কমবেশি মাঠের ফসল ঘরে তুলতে হয়। ২০২২ সালের শুমারী মোতাবেক ঐ সড়কের কাদা-পানিতে একাকার হওয়ার গল্প শতাধিক পরিবারের। চলতি এ বর্ষা মৌসুমে রেকর্ডকৃত অতিবৃষ্টির কারণে বিগত বছরের তুলনায় এ বছর ভোগান্তির পরিমানটাও একটু বেশি। স্থানীয়রা অনেকে অভিযোগ করেছে,শুধু মাত্র ভোটের সময় এদিকে নেতারা আসে। বিএনপি-আ'লীগ সরকার কেউ এই দূর্ভোগ সাথে দৈনন্দিন জীবন-যাত্রায় এই ভোগান্তিকে
এই মহল্লার প্রায় শতাধিক মানুষের বসবাস। সবচেয়ে অবহেলিত হতে চলেছে সংশ্লিষ্ট এলাকার শিক্ষার অদূর ভবিষ্যত। তথ্য আছে,বর্ষাকালে হাটু সমান কাঁদা মাড়িয়ে দৈনিক ৮০/৯০ জন শিক্ষার্থী ঐ এলাকা হতে এড়েন্দা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পলাশী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে যায়। একটু অসাবধান হলেই পড়ে গিয়ে পোশাক নষ্ট,বই খাতা ভিজে নষ্ট, তার সাথে শারীরিক কষ্ট। এমনও পরিস্থিতি হয়ছে যে, বাড়ি হতে বের হয়ে বিদ্যালয়ে যাওয়ার আগেই আরেক বার বাড়িতে ফিরতে হয় শিক্ষার্থীদের নষ্ট হওয়া পোশাক বদলাতে। ঐ রাস্তার সম্পৃক্ত এলাকা হতে শিক্ষার্থীদের একটা অংশ বর্ষাকালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনিয়মিত থাকে বলে জানান সংশ্লিষ্ট দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ। ব্যাবসা বাণিজ্য,কৃষিকাজ,স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের চলাচলের একমাত্র প্রধান সড়কের পাকা করনের জন্য বিগত কয়েক বছর আগে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা খানম জৈনক এক ঠিকাদারের দিয়ে এলজিইডির রোড আইডি নং সহকারে রাস্তা পরিমাপ করে গেলেও কোন সূরাহ হয়নি। এমনকি এমপি এড গাজী এনামুল হক নির্বাচনের আগে প্রচারে গেলে ভুক্তভোগীদের রাস্তা পাকা করনের শতভাগ নিশ্চিয়তা দিয়ে একচেটিয়া ভাবে ভোট প্রদান করলেও বিগত সকল নেতাদের ন্যায় তিনিও শতাধিক পরিবারের সাথে প্রহসন করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে স্থানীয় সচেতন মহলের ব্যাক্তিরা।
যে রাস্তায় পায়ে হাটা ছাড়া চলাচল করা যায়না, সেখানে মাঝেমধ্য ভোগান্তিতে পড়ে আল্লাহর উপর ছাড়া ভরসা থাকেনা যদি রাতের বেলায় কেউ হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে! মুমূর্ষু রোগী হলে তো কাঁধে তুলে এক দেড় কিঃ পথ পাড়ি দিয়ে বাহনের জন্য এড়েন্দা বাজার মোড়ে আসতে হয়। অভিযোগ আছে, উল্লেখিত দূর্ভোগের শতাধিক পরিবারের জন্য স্থানীয় এক যুবক বিগত সরকারের আমলে উদ্যেগ নিলেও সে সময় স্থানীয় কয়েকজন নেতার হস্তক্ষেপের কারনে সে রাস্তাটি এখনো পর্যন্ত রাস্তা হয়নি! এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন (এলজিইডি) মণিরামপুর উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয় খোজ নিলে জানা যায়, প্রায় দেড় কিঃমিঃ কাঁচা রাস্তাটির রোড আইডি হয়েছে তবে চলতি অর্থ বছরে গেজেটভুক্ত নাই।তবে সামনের অর্থ বছরে এ সড়কটি পাকা করনের যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে কিনা,এ বিষয়ে জানতে সংসদীয় আসনের এমপি এড গাজী এনামুল হকের সাথে তার যোগাযোগ করে ব্যার্থ হলেও তার এক বিশ্বস্ত সূত্র মাধ্যমে জানা গেছে যে,ওয়াদা যেহেতু করা হয়ছে। সেহেতু জনস্বার্থে বিষয়টি অধিক গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।
চলতি এ প্রতিবেদন প্রস্তুতের জন্য সার্বিক সহায়তা কারী সে দিনের সেই স্থানীয় অদম্য যুবক মাহমুদুল হাসান সোহাগ নিজেকে ভুক্তভোগীদের একজন দাবী করে কাঁচা রাস্তার ভোগান্তি লাঘবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণে, যে কোন উপায়ে এড়েন্দা বাজার হতে মাঠপাড়ার প্রায় দেড় কিঃ মিঃ কাঁচা রাস্তাটি পাকা করনের দাবী জানিয়েছে।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন



















