- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
ইসলামী ব্যাংকের বড় পদক্ষেপ: ২০০ কর্মী বরখাস্ত, ৪৭৭১ জনকে ওএসডি
- আপডেটেড: মঙ্গলবার ৩০ Sep ২০২৫
- / পঠিত : ৮০ বার

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশে শুরু হয়েছে ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান। বিশেষ দক্ষতা যাচাই পরীক্ষায় অংশ না নেওয়ায় ২০০ কর্মীকে চাকরিচ্যুত করেছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি আরও ৪ হাজার ৭৭১ জনকে বিশেষ দায়িত্বহীন কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ইসলামী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
গত ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) এর তত্ত্বাবধানে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ব্যাংকের নির্দেশে মোট ৫ হাজার ৩৮৫ জনকে পরীক্ষায় অংশ নিতে বলা হলেও মাত্র ৪১৪ জন বসেন। বাকি প্রায় সবাই পরীক্ষা বর্জন করেন।
এরপরই ব্যাংক কর্তৃপক্ষ প্রথমে ৪ হাজার ৯৭১ জনকে ওএসডি করে। পরবর্তীতে সেবা-শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ২০০ জনকে চাকরিচ্যুত করা হয়। ওএসডি করা কর্মীরা বেতন-ভাতা পাবেন, তবে কোনো কার্যকর দায়িত্ব পালন করবেন না।
ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সূত্রে জানা যায়, যাদের ওপর এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তাদের অধিকাংশই ২০১৭ থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত সময়ে নিয়োগপ্রাপ্ত। তখন ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে ছিল এস আলম গ্রুপ।
চট্টগ্রাম বিশেষ করে পটিয়া উপজেলা থেকে বিপুলসংখ্যক নিয়োগ হয়েছিল। অভিযোগ রয়েছে, ওই সময়ে কোনো উন্মুক্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই এস আলমের বাড়ি ও অফিসে ড্রপবক্সের মাধ্যমে চাকরির আবেদন গ্রহণ করা হতো।
ব্যাংকের দেওয়া এক লিখিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, শুধু চট্টগ্রাম থেকেই প্রায় ৭ হাজার ২০০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়, যার মধ্যে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি পটিয়া উপজেলার। তাদের মধ্যে প্রায় আড়াই হাজার কর্মী বিএজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি, পোর্ট সিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও সাউদার্ন ইউনিভার্সিটির সনদ জমা দিয়েছিলেন।
এসব ডিগ্রি যাচাইয়ে নানা জটিলতা তৈরি হয়; অনেক ক্ষেত্রে ভুয়া সনদও ধরা পড়ে। ইতিমধ্যে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
গত ২৭ আগস্ট দক্ষতা যাচাই পরীক্ষা বাতিল চেয়ে একদল কর্মী আদালতে রিট করেছিলেন। তবে আদালত এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংককে নির্দেশনা দিতে বলে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক স্পষ্ট করে জানায়, কর্মী নিয়োগ, বহাল রাখা ও মূল্যায়ন করা ইসলামী ব্যাংকের নিজস্ব এখতিয়ার।
ফলে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ২৭ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করে। তাদের মতে, এস আলম গ্রুপের সময়ে নিয়োগ বাণিজ্য ও অনিয়মের দায় মেটাতেই এই পরীক্ষা জরুরি হয়ে পড়েছিল।
গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ইসলামী ব্যাংক থেকে এস আলমের প্রভাব পুরোপুরি প্রত্যাহার করে নতুন বোর্ড নিয়োগ দেয়। নতুন কর্তৃপক্ষই কর্মকর্তা থেকে সহকারী কর্মকর্তা (ক্যাশ) পর্যন্ত পর্যায়ে এই বিশেষ দক্ষতা পরীক্ষা চালু করে।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের দাবি, এস আলম গ্রুপ বিভিন্ন প্রকল্প ও প্রক্সির মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংক থেকে প্রায় ১ লাখ ৩১ হাজার কোটি টাকা বাইরে সরিয়ে নিয়েছিল। ফলে শীর্ষস্থানীয় শরিয়াভিত্তিক এই ব্যাংক চরম আর্থিক সংকটে পড়ে। কর্মী ছাঁটাই ও যাচাইয়ের এই পদক্ষেপকে তাই ব্যাংকের ভাবমূর্তি ও স্থিতিশীলতা পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















