- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
জোটে থাকলেও নির্বাচন করতে হবে নিজ প্রতীকে: খুশি জামায়াত-এনসিপি, নারাজ বিএনপি
- আপডেটেড: শুক্রবার ২৪ Oct ২০২৫
- / পঠিত : ৮৩ বার

জোটভুক্ত হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও শরিক দলগুলোকে এখন থেকে নিজ নিজ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে। যুগান্তকারী এই বিধানসহ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) একগুচ্ছ সংশোধনী অনুমোদন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। সরকারের এই সিদ্ধান্তে বিএনপি তীব্র আপত্তি জানালেও একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
বৃহস্পতিবার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এই সংশোধনের খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন পায়। পরে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল এক ব্রিফিংয়ে জানান, ভোটারদের কাছে প্রার্থীর দলীয় পরিচয় স্পষ্ট করার জন্যই এই পরিবর্তন আনা হয়েছে।
তবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ এ বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেন, ‘কোনো নিবন্ধিত দল জোটভুক্ত হলে জোটের যেকোনো দলের প্রতীক নেওয়ার স্বাধীনতা ছিল। সেটা বাতিল করলে আমরা মানব না’। তার মতে, ছোট দলগুলো বড় দলের প্রতীকে নির্বাচন করার সুবিধা পেতেই জোটে আসে, এই বিধান সেই সুযোগ বন্ধ করে দেবে।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের মনে করেন, ‘প্রতিটি দলের নিজস্বতা আছে। দলীয় প্রতীক দলের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই নিবন্ধিত দলগুলোর নিজস্ব পরিচয়ে যাওয়াই উত্তম’। একই সুরে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক জাবেদ রাসিন বলেন, ‘জোটে গেলেও নিজের দলীয় প্রতীকে নির্বাচনের সিদ্ধান্তটি ভালো হয়েছে’। এতে দলীয় স্বকীয়তা বজায় থাকে এবং ভোটারদের বিভ্রান্তি কমে।
আরপিও-এর অনুমোদিত খসড়ায় প্রার্থীদের জন্যও বেশ কিছু নতুন নিয়ম যুক্ত করা হয়েছে। এখন থেকে আদালত কর্তৃক ঘোষিত কোনো পলাতক আসামি নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। পাশাপাশি প্রার্থীদের হলফনামায় দেশ ও বিদেশে থাকা স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদের পূর্ণ বিবরণ দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে, যা জনসাধারণের জন্য অনলাইনে প্রকাশ করা হবে।
নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে সশস্ত্র বাহিনীকেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সংজ্ঞায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর মতো সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর সদস্যরাও ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন, যার জন্য আলাদা কোনো আদেশের প্রয়োজন হবে না। একইসঙ্গে, কোনো আসনে বড় ধরনের অনিয়ম হলে পুরো নির্বাচন বাতিলের ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনকে দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে—কোনো আসনে একক প্রার্থী থাকলে সেখানে ভোটারদের জন্য ‘না’ ভোটের ব্যবস্থা রাখা, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবস্থা বাতিল করা এবং প্রার্থীদের জামানতের পরিমাণ ২০ হাজার থেকে বাড়িয়ে ৫০ হাজার টাকা করা। এছাড়া, রাজনৈতিক দলগুলোকে ৫০ হাজার টাকার বেশি অনুদান অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।
আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে এসব সংস্কার আনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন















