- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ৮ দিনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা, প্রস্তুত ১ লাখ সেনা সদস্য
- আপডেটেড: মঙ্গলবার ১১ Nov ২০২৫
- / পঠিত : ৪১ বার

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে আটদিনের নিরাপত্তা পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। এতে সারাদেশে প্রায় এক লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন, ড্রোন নজরদারি, অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন এবং প্রয়োজন হলে বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগের মতো ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনায় গত ২০ অক্টোবর অনুষ্ঠিত সভার কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে, যা ৯ নভেম্বর (শনিবার) নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর কাছে পাঠিয়েছে।
সভায় আলোচনায় বলা হয়, ভোটকেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই, ভোটার বা ভোটকর্মীদের ওপর হামলা এবং বাড়িঘরে আক্রমণের আশঙ্কার ভিত্তিতেই সেনাবাহিনীর এ নিরাপত্তা পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে।
প্রস্তাব অনুযায়ী, সেনাবাহিনী নির্বাচনের আগে তিন দিন, নির্বাচনের দিন, এবং পরে চার দিন, মোট আটদিন মাঠে থাকবে। এ সময় প্রায় ৯০ হাজার থেকে ১ লাখ সেনা সদস্য মোতায়েন করা হবে।
বর্তমানে ‘এইড টু সিভিল পাওয়ার’ এর আওতায় ৬২ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। নির্বাচনের সময় এই কাঠামোর অধীনেই দায়িত্ব পালন করবে তারা।
পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, সারাদেশে অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন, প্রধান সড়ক ও মহাসড়ক পর্যবেক্ষণ, সংখ্যালঘু ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এ ছাড়া নির্বাচনী উপকরণ ও কর্মকর্তাদের পরিবহনের জন্য হেলিপ্যাড প্রস্তুত রাখা, ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারি, এবং আর্মি এভিয়েশন ইউনিট ও কমান্ডো বাহিনীকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সভায় উল্লেখ করা হয়, সরকার ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়েছে। প্রয়োজনে বিচারিক কর্তৃত্ব প্রদান করা হলে সেনাবাহিনী আরও সক্রিয়ভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ভূমিকা নিতে পারবে।
প্রয়োজনে ভোটকেন্দ্রে সেনা সদস্যদের প্রবেশ করারও অনুমতি দেওয়া হতে পারে বলে কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে।
নির্বাচনের আগে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান ও চিহ্নিত অপরাধীদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রাখার প্রস্তাবও দিয়েছে সেনাবাহিনী।
সভায় সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করবে ‘সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে’।
সভাটি সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন। উপস্থিত ছিলেন অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার, নির্বাচন কমিশন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা ও সরকারি দপ্তরের প্রতিনিধি।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন



















