- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ
- আপডেটেড: মঙ্গলবার ০৯ Dec ২০২৫
- / পঠিত : ৬২ বার

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব কার্যক্রম স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। সোমবার বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি রিয়াজউদ্দিন আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিট আবেদনটি ‘উত্থাপিত হয়নি’ মর্মে খারিজ করা হয়েছে।আদালত থেকে বেরিয়ে রিটকারী আইনজীবী মো. ইয়ারুল ইসলাম জানান, রিটটি শুনানির আগেই খারিজ হয়েছে এবং তিনি নিজেই এটি প্রত্যাহার চেয়েছেন। এর কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘আদালত বলেছেন, দেশ এখন নির্বাচনমুখী। নির্বাচনের এই সময়ে আপনার রিট আবেদনটি উপযোগী না। তখন মেরিটে না গিয়ে জাতির বৃহত্তর স্বার্থে রিট আবেদনটি নট প্রেসড করে নিয়েছি।’
গত ৩ ডিসেম্বর নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ‘বাংলাদেশ কংগ্রেস’-এর মহাসচিব হিসেবে আইনজীবী ইয়ারুল ইসলাম এই রিটটি দায়ের করেছিলেন। আবেদনে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমানে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের (ইউএনও) যথাক্রমে রিটার্নিং ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের সব দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের হাতে থাকার কথা। কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তা থাকার পরও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভর করা সংবিধানের লঙ্ঘন।
রিটে আরও যুক্তি দেখানো হয় যে, ডিসি ও ইউএনওরা মূলত সরকারের প্রতিনিধি। তাদের দিয়ে ভোট আয়োজন করলে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব ভূমিকা সীমিত হয়ে পড়ে। ভোটার তালিকা হালনাগাদ বা ব্যালট পেপার ছাপানো ছাড়া কমিশনের কার্যত আর কিছুই করার থাকে না। তাছাড়া নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্বাচন পরিচালনার বাস্তবিক অভিজ্ঞতাও থাকে না। তাই কমিশনের নিজস্ব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি দিয়ে দক্ষ করে তোলা প্রয়োজন।
বিচার বিভাগের স্বাধীনতার প্রসঙ্গ টেনে রিটে বলা হয়, বিচারকদের নিয়োগের জন্য যেমন জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশন রয়েছে, নির্বাচন কমিশনেরও তেমন স্বাধীনতা থাকা উচিত। বিচার বিভাগীয় সচিবালয় এখন স্বাধীনভাবে নিজস্ব জনবল নিয়োগ দেয়। অথচ নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সচিব নিয়োগ দেওয়া হয় নির্বাহী বিভাগ থেকে। এটি কমিশনের স্বাধীনতার পথে অন্তরায়।
এসব যুক্তিতে রিটে একটি ‘ইলেকটোরাল সার্ভিস কমিশন’ গঠনের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে কেন রিটার্নিং কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে না, তা জানতে রুল জারির আর্জি জানানো হয়। এই রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনের কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করেছিলেন রিটকারী।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















