- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
জোড়া খুনের পর স্বামীর সহায়তায় যেভাবে পালিয়ে যান গৃহকর্মী আয়েশা
- আপডেটেড: বৃহস্পতিবার ১১ Dec ২০২৫
- / পঠিত : ১০৩ বার

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে মা ও মেয়ে হত্যার ঘটনায় গৃহকর্মী আয়েশাকে ঝালকাঠি থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গৃহিণী লায়লা আফরোজও তার মেয়ে নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিজকে হত্যার পর আয়েশা তার স্বামীকে ফোন করে বিষয়টি জানান। ওই গৃহকর্মীকেপালাতে সহায়তা করেন তার স্বামী রাব্বী।
স্বামীর পরামর্শেই পোশাক পাল্টে নিহত নাফিসার স্কুল ইউনিফর্ম পড়ে মুখ ঢেকে বহুতল ওই আবাসিক ভবন থেকে বেরিয়ে আসেন আয়েশা। পুলিশের কাছে এসব কথা বলেছেন ওই গৃহকর্মী। তবে খুন করার কারণ সম্পর্কে এখনও মুখ খোলেননি।
বুধবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের এডিসি মোহাম্মাদ জুয়েল রানা এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, নলছিটির দাদা শ্বশুরের বাড়ি থেকে তাকে গ্রেফতার করে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ। খুনের পর আয়েশা তার স্বামী রাব্বীকে হত্যার বিষয়ে জানালে ফ্ল্যাট থেকে বেরিয়ে আসার কৌশল বলে দেন। বহুতল ওই আবাসিক ভবন থেকে বেরিয়ে আসার পর আয়েশাকে নিয়ে ঢাকা ছেড়ে পালিয়ে যান স্বামী রাব্বী।
এডিসি জুয়েল রানা জানান, মা-মেয়ে হত্যার ৬ মাস আগে মোহাম্মদপুরের বছিলার একটি বাসায় চুরি করেছিল আয়েশা। ওই সময় তার ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল। সেই অভিযোগের সূত্র ধরে আয়েশার খোঁজ শুরু করে পুলিশ। অবশেষে সকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, মা ও মেয়েকে খুন করার কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু বলেননি গৃহকর্মী আয়েশা।জিজ্ঞাসাবাদের পর জানা যাবে হত্যার কারণ।
উল্লেখ্য, সোমবার সকালে শাহজাহান রোডের ১৪ তলা একটি আবাসিক ভবনের সপ্তম তলায় গৃহকত্রী লায়লা আফরোজ ও তার মেয়ে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাফিসা লাওয়াল বিনতে আজিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনা ঘটে। এই হত্যার ঘটনায় অন্যতম সন্দেহভাজন ছিল গৃহকর্মী আয়েশা। ঘটনার দিন সকাল ৭টা ৫২ মিনিটে বোরকা পরে বাসায় ঢোকে সে। আর সাড়ে ৯টার নাগাদ মা-মেয়েকে খুন করে মেয়ে নাফিসার স্কুল ড্রেস পরে ব্যাগ নিয়ে বের হয়ে যায়। এই জোড়া খুনের ঘটনায় সোমবার রাতে নিহত লায়লা আফরোজের স্বামী আজিজুল ইসলাম মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















