- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
জোটবদ্ধ নয়, এককভাবে ভোটের প্রস্তুতি বিএনপির
- আপডেটেড: রবিবার ৩০ Aug ২০২৬
- / পঠিত : ৫১ বার

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এবার প্রতীকবিহীন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে নজর বিএনপির। তবে জোটগত নয়, বরং এককভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন করার লক্ষ্যে দলের একক প্রার্থী বাছাইয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে দলটির হাইকমান্ড। সেক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাইয়ে প্রাধান্য পাবে স্থানীয় পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মতামত। বিশেষ করে তৃণমূল ইউনিট- উপজেলা কমিটি, পৌর কমিটি, ইউনিয়ন কমিটির নেতাদের সমন্বয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একজন প্রার্থী ঠিক করা হবে এবং তারা জেলা কমিটির সহায়তা নেবে। মূলত একজনের বাইরে যেন প্রার্থী না হয় সেজন্য সামগ্রিক প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। একই সঙ্গে বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকাতে নেতাকর্মীদের প্রতি আজীবন বহিষ্কারের বার্তা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রস্তুতি কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীল একাধিক নেতা এমনটাই জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক তফসিল ঘোষণার আগেই দলের প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়ার ইতি টানতে প্রস্তুতি নিচ্ছে বিএনপি। সেই লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহের শুক্রবার ও শনিবার গুলশান অফিসে দলের জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেছেন, নির্বাচন হবে নির্দলীয় ও দলীয় প্রতীকবিহীন। ফলে কেন্দ্র থেকে যেহেতু মনোনয়ন বা সমর্থন দেওয়া হচ্ছে না, সেহেতু কেন্দ্র থেকে বহিষ্কারও করা হবে না। বরং স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলোতে কোনো রকম প্রভাব বিস্তার না করতে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি অনুশাসন রয়েছে। তবে রাজনৈতিক দলগুলো অবশ্যই তাদের রাজনীতিকে ঠিক রাখার জন্য কোনো না কোনো প্রার্থীকে দলীয়ভাবে সমর্থন দেবে। জেলা ও উপজেলা বিএনপি ঠিক করবে, ইউনিয়ন, পৌরসভা, উপজেলা, সিটি করপোরেশন ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাকে আমরা সমর্থন দেব।’
গত ১৭ বছর নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে লড়াই-সংগ্রাম করার অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন ব্যক্তি দলীয় সমর্থনে অগ্রাধিকার পাবেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মাঠে ছিল, মামলা খেয়েছেন, হয়রানির শিকার হয়েছেন এবং সাধারণ মানুষের ভোটে জেতার অভিজ্ঞতা রয়েছে এ ধরনের প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার ব্যাপারে দলের পক্ষ থেকে নির্দেশনা দেওয়া আছে। পাশপাশি আন্দোলনে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু নির্বাচনের মাঠের অভিজ্ঞতাটা খুবই কম এ ধরনের প্রার্থীকে আমরা অন্য জায়গায় অ্যাকোমোডেট করব, সমর্থন হয়তো দেব না। আবার ভোটের মাঠে অভিজ্ঞতা আছে, কিন্তু ১৭ বছর খুঁজে পাওয়া যায়নি, এ ধরনের প্রার্থীকেও সমর্থন না দেওয়ার ব্যাপারে কেন্দ্রীয় বিএনপি থেকে নির্দেশনা দেওয়া আছে।
এদিকে, বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বর মাসে তফসিল দিতে চান বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দীন। গত বৃহস্পতিবার বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের চার সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। সাক্ষাৎ শেষে নির্বাচন ভবনে ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের কাছে সিইসি এ তথ্য তুলে ধরেন। সিইসি বলেন, ‘শিডিউল যদি সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে দিই, ইলেকশনটা আগামী বছরে চলে যাবে। আগামী বছর ইলেকশন করলে আমাকে এ বছর শিডিউল দিতে হবে। আশা করছি, হয়তো আমরা সেপ্টেম্বরে শিডিউলটা ঘোষণা করতে পারব। তাহলে কিছু বছরের শেষে, কিছু আগামী বছরেও চলে যেতে পারে।’
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপলক্ষে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে এলাকায় গণসংযোগ শুরু করেছেন। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের বিভিন্ন পদে প্রার্থী হতে আগ্রহীরা সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সক্রিয় হচ্ছেন। অনেকে এলাকায় পোস্টার, ফেস্টুন ও ব্যানারে সম্ভাব্য প্রার্থীদের প্রচারও শুরু হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমেও চলছে প্রচার। এ ছাড়া গত ৪ জুলাই থেকে রাজধানীর গুলশানে রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিভিন্ন বিভাগের জেলা নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিক সাংগঠনিক বৈঠক করছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ইতোমধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। পর্যায়ক্রমে খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের নেতাদের সঙ্গেও বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও পাবনা জেলার নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী বাছাইয়ের নির্দেশ দেন তারেক রহমান। সবশেষ গতকাল শনিবার বগুড়া জেলা বিএনপির নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিতর্কিত কাউকে দলের সমর্থন না দেওয়া এবং দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।
জানতে চাইলে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হিলালী আমাদের সময়কে বলেন, ‘স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই করতে স্থানীয় পর্যায়ের সব স্তরের নেতাকর্মীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করেই একক প্রার্থী চূড়ান্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এখানে জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে গুরুত্ব দেওয়া কিংবা চূড়ান্ত করার কিছু নাই। বিজয়ী হতে পারবে এবং ভালো প্রার্থী চূড়ান্ত করতে হবে; বিজয়ী হতে পারবে না এমন ব্যক্তিকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলে দিনশেষে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি (সংসদ সদস্য) ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ব্যর্থতার দায়ভার তো আমাকেই নিতে হবে। কাজেই প্রত্যাশা করছি সবাই মিলেমিশে যোগ্য প্রার্থী চূড়ান্ত করতে সক্ষম হব।’
বিএনপির নীতিনির্ধারকরা বলছেন, দলীয় প্রতীক না থাকায় প্রভাবশালী অনেক নেতা স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে চাইতে পারেন। ফলে একাধিক প্রার্থী থাকায় তৃণমূলে গ্রুপিং ও কোন্দল বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এরই মধ্যে অনেক এলাকায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা অনুসারীদের নিয়ে আলাদাভাবে শোডাউন করছেন। ফলে বিদ্রোহী প্রার্থী ঠেকানো বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ থাকবে। এ ছাড়া যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলগুলোর বিষয়টিও বিবেচনা নিতে হচ্ছে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আমাদের সময়কে বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলের পক্ষ থেকে কারা প্রার্থী হবেন, তা স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতের ভিত্তিতেই নির্ধারণ করা হবে। দলীয় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রতিটি নির্বাচনে দল থেকে একজন মাত্র প্রার্থী দেওয়া হবে। দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা-জেলা, ইউনিয়ন, পৌরসভা পর্যায়ের নেতারা সবকিছু যাচাই-বাছাই করে নির্বাচনে যোগ্য প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন। কারণ, এবার দলীয় প্রতীকে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে না।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ বিএনপির অবস্থান জানতে চাইলে রুহুল কবির রিজভী বলেন, এবারের নির্বাচন নির্দলীয় হবে। নির্বাচনে কে অংশ নেবে, আর কে নেবে না, সেটি আদালত ও নির্বাচন কমিশনের বিষয়। অন্য রাজনৈতিক দল কী বলল, সেটি আমাদের দেখার বিষয় নয়।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট সন্ধ্যায় গুলশানে চেয়ারম্যান কার্যালয়ে রাজশাহী বিভাগের নেতাদের সঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের রুহুল কবির রিজভী জানান; ‘আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি কোনো জোট ছাড়াই এককভাবে অংশ নেবে।’

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন


















