তরুণ প্রজন্মের দাবি: শিক্ষিত জনপ্রতিনিধি মাওলানা হাসান আল মামুন
- আপডেটেড: শুক্রবার ১১ Sep ২০২৬
- / পঠিত : ১২২ বার

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জনপ্রতিনিধি পদে প্রার্থীদের ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পর্যায়ের হওয়া উচিত—এটি এখন তরুণ প্রজন্মসহ সচেতন জনগণের ক্রমবর্ধমান দাবি।
ইউনিয়ন পরিষদসহ মাঠপর্যায়ের জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব শুধু রাস্তা-ঘাট বা উন্নয়নকাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। গ্রাম আদালত পরিচালনা, সরকারি নীতিমালা ও আইন বোঝা, বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়, প্রকল্প বাস্তবায়ন, সরকারি বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার এবং জটিল স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তি—এসব ক্ষেত্রেই একজন জনপ্রতিনিধির শিক্ষা, জ্ঞান ও দক্ষতার গুরুত্ব অপরিসীম।
একজন এমপি বা প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও ব্যক্তিগত সহকারীসহ বিভিন্ন পর্যায়ের সহযোগিতা পান। কিন্তু মাঠপর্যায়ের একজন জনপ্রতিনিধি যদি সততা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে চান, তাহলে প্রতিটি কাজে আলাদা ব্যক্তিগত সহকারীর ওপর নির্ভর করে চলা সব সময় সম্ভব হয় না। তাই জনপ্রতিনিধিকে নিজেকেই যথেষ্ট সচেতন, শিক্ষিত ও প্রশাসনিক বিষয় সম্পর্কে দক্ষ হতে হবে।
একই সঙ্গে জনগণের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি হলো—সরকারি বেতনভুক্ত কোনো শিক্ষক চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী না হওয়ার বিষয়ে সুস্পষ্ট ও কার্যকর নীতিমালা থাকা প্রয়োজন। কারণ শিক্ষকতা একটি গুরুত্বপূর্ণ পেশা; সেখানে পূর্ণ মনোযোগ, নিরপেক্ষতা ও নিয়মিত দায়িত্ব পালনের বিষয় রয়েছে। অন্যদিকে জনপ্রতিনিধিত্বও একটি পূর্ণাঙ্গ জনদায়িত্ব।
দুঃখজনক হলেও সত্য, রাজনৈতিক নানা বিবেচনায় জনগণের এমন যৌক্তিক ও সময়োপযোগী দাবিগুলো অনেক সময় উপেক্ষিত হচ্ছে। অথচ একটি আধুনিক, দক্ষ ও জবাবদিহিমূলক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা গড়তে হলে প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, সততা, দক্ষতা, প্রশাসনিক জ্ঞান ও জনসেবার সক্ষমতা গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।
তরুণ প্রজন্মের দাবি—স্থানীয় সরকার হোক দক্ষ, শিক্ষিত ও জবাবদিহিমূলক নেতৃত্বের হাতে।
যোগ্যতার মূল্যায়ন হোক, জনদাবির প্রতি সম্মান দেখানো হোক

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন














