প্রধানমন্ত্রী বলেন, সীমিত সম্পদ সত্ত্বেও বাংলাদেশ এই ঝুঁকি মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা জোরদার, ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলার সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় সুরক্ষায় বিনিয়োগ।
জলবায়ু সহনশীলতা বাড়াতে আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল খনন, পানি সংরক্ষণে পদ্মা ব্যারাজ উদ্যোগ এগিয়ে নেওয়া, তিস্তা ব্যারাজ আধুনিকীকরণ এবং ২৫ কোটি গাছ লাগানোর লক্ষ্যের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
একই সঙ্গে পরিবেশবান্ধব অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে বাংলাদেশের অগ্রসর হওয়ার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে অন্তত ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব শিল্প ও পরিবহন ব্যবস্থার প্রসার, জাতীয় কার্বন বাজার গড়ে তোলা এবং বন, জলাভূমি ও ঝুঁকিপূর্ণ উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় কাজ চলছে।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশন উপলক্ষে আয়োজিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন।


















