সৌদি আরব–পাকিস্তান প্রতিরক্ষা চুক্তি: যৌথ আগ্রাসন মোকাবিলার অঙ্গীকার
- আপডেটেড: শুক্রবার ১৯ Sep ২০২৫
- / পঠিত : ১৫৮ বার

পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তানের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে সৌদি আরব। এতে কয়েক দশকের পুরোনো নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব নতুন মাত্রা পেল। বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুই দেশের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।
এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চুক্তি উভয় দেশের নিরাপত্তা জোরদার এবং অঞ্চল ও বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার অভিন্ন প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন। চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানো এবং যে কোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে যৌথ প্রতিরোধ গড়ে তোলা। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে, একটি দেশের ওপর আক্রমণকে উভয় দেশের ওপর আক্রমণ হিসেবে গণ্য করা হবে।
সৌদি প্রেস এজেন্সি (এসপিএ) জানায়, এই প্রতিরক্ষা চুক্তি দুই দেশের ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব, অভিন্ন কৌশলগত স্বার্থ ও ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে স্বাক্ষরিত হয়েছে।
রিয়াদে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের বৈঠকে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বৈঠকে তারা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি, অভিন্ন স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয় এবং নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অর্জনের প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেন। বর্তমানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ সৌদি আরবে রাষ্ট্রীয় সফরে রয়েছেন।
চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে একজন জ্যেষ্ঠ সৌদি কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানান, এটি বহু বছরের আলোচনার ফল। নির্দিষ্ট কোনো দেশ বা ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় নয়, বরং দুই দেশের দীর্ঘদিনের সহযোগিতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই এই পদক্ষেপ।
পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, এটি একটি বিস্তৃত প্রতিরক্ষামূলক চুক্তি, যেখানে সব ধরনের সামরিক কৌশল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
উল্লেখ্য, এই প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরিত হলো আরব লীগ এবং ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এক বিশেষ যৌথ বৈঠকের দুই দিন পর। গত ৯ সেপ্টেম্বর কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলের হামলার প্রেক্ষিতে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেখানে আরব ও ইসলামিক দেশগুলো ইসরায়েলের ওই হামলার তীব্র নিন্দা জানায়।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন




















