- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
দশকের পর দশক ধরে গাজার বুকে ঘাপটি মেরে থাকবে ‘মৃত্যুফাঁদ’
- আপডেটেড: শনিবার ২৫ Oct ২০২৫
- / পঠিত : ৯৬ বার

গাজার ভূমিতে ছড়িয়ে থাকা অবিস্ফোরিত বোমা ও গোলাবারুদ পরিষ্কার করতে প্রায় দুই থেকে তিন দশক সময় লেগে যেতে পারে। একটি সাহায্য সংস্থার বিশেষজ্ঞের মতে, ইসরায়েল-হামাস সংঘাতের ফলে সৃষ্ট ধ্বংসস্তূপ এবং বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরকের কারণে পুরো এলাকাটি একটি ‘ভয়াবহ ও অপরিমাপযোগ্য মাইনফিল্ডে’ পরিণত হয়েছে।
হিউম্যানিটি অ্যান্ড ইনক্লুসন’ নামের সাহায্য সংস্থার বিস্ফোরক অস্ত্রশস্ত্র নিষ্কাশন বিশেষজ্ঞ নিক অর বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘গাজার পুরো এলাকা থেকে ভূগর্ভস্থ সবকিছু পরিষ্কার করা কখনোই সম্ভব হবে না। কারণ অনেক বিস্ফোরক ভূগর্ভে ঢুকে গেছে। আমরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এসব খুঁজে পাব।’ তিনি আরও যোগ করেন, কেবল ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগ পরিষ্কারের কাজ একটি প্রজন্মের মধ্যে শেষ করতে প্রায় ২০ থেকে ৩০ বছর সময় লেগে যেতে পারে। এটি একটি বিশাল সমস্যার খুব সামান্য অংশ মোকাবিলার মতো হবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সংস্থাটি জানায়, যুদ্ধবিরতির পর থেকে এ পর্যন্ত অবশিষ্ট বিস্ফোরকে ৫৩ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং শতাধিক আহত হয়েছেন। জাতিসংঘের নেতৃত্বাধীন একটি তথ্যভান্ডারে এই পরিসংখ্যান উল্লেখ করা হলেও সাহায্য সংস্থাগুলোর ধারণা, প্রকৃত সংখ্যা এর চেয়ে অনেক বেশি।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় লাখ লাখ টন ধ্বংসস্তূপের মধ্য থেকে এই বিপজ্জনক বিস্ফোরকগুলো সরানোর কাজ শুরু করার আশা দেখা দিয়েছে। অর জানিয়েছেন, তার সংস্থার সাত সদস্যের একটি দল হাসপাতাল, বেকারি এবং অন্যান্য অপরিহার্য অবকাঠামোতে থাকা যুদ্ধের অবশেষ চিহ্নিত করার কাজ শুরু করবে।
তবে এখন পর্যন্ত ইসরায়েল তার মতো সাহায্য সংস্থাগুলোকে এসব বিস্ফোরক অপসারণ ও ধ্বংস করার অনুমতি দেয়নি। এমনকি, এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানির অনুমতিও তারা পায়নি বলে অর জানান। এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে গাজায় সাহায্য কার্যক্রম তদারককারী ইসরায়েলি সামরিক শাখা কোগাট কোনো মন্তব্য করেনি। ইসরায়েল সাধারণত এমন সব জিনিসের আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে, যা সামরিক ও বেসামরিক উভয় কাজেই ব্যবহার করা যায়।
নিক অর জানান, তারা বিস্ফোরক ধ্বংস করার জন্য বিস্ফোরণ না ঘটিয়ে সেগুলো পুড়িয়ে ফেলার অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। এতে হামাস বা অন্য কোনো সশস্ত্র গোষ্ঠীর হাতে এসব উপকরণ পুনরায় ব্যবহৃত হওয়ার আশঙ্কা কমবে।
তিনি একটি যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনায় উল্লিখিত অস্থায়ী নিরাপত্তা বাহিনীর প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, ‘যদি গাজায় কোনো ভবিষ্যৎ থাকে, তাহলে মানবিক কর্মীদের কাজ করতে দেওয়ার জন্য একটি নিরাপত্তা বাহিনী প্রয়োজন।’

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















