- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
সরকারি অচলাবস্থায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, বাতিল ২ হাজারের বেশি ফ্লাইট
- আপডেটেড: সোমবার ১০ Nov ২০২৫
- / পঠিত : ৮৬ বার

যুক্তরাষ্ট্রে সরকারি অচলাবস্থার কারণে বিমান চলাচল ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিয়েছে। কর্মী সংকটের জেরে শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
এক মাসের বেশি সময় ধরে চলা এই অচলাবস্থার ফলে বিমান ভ্রমণ খাতে এটিই সবচেয়ে বড় সংকট বলে মনে করা হচ্ছে। ফেডারেল এভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফএএ) ৪০টি প্রধান বিমানবন্দরে ফ্লাইট কমানোর নির্দেশ দিয়েছে। এই সপ্তাহান্তে ৪ শতাংশ ফ্লাইট কমানো হয়েছে এবং এই হার ১১ নভেম্বরের মধ্যে ৬ শতাংশ, ১৩ নভেম্বরের মধ্যে ৮ শতাংশ এবং ১৪ নভেম্বরের মধ্যে ১০ শতাংশে উন্নীত করার কথা রয়েছে।
ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্যমতে, স্কাইওয়েস্ট, সাউথওয়েস্ট এবং এনভয় এয়ারের ফ্লাইট সবচেয়ে বেশি বাতিল হয়েছে। এছাড়া ইউনাইটেড, ডেল্টা এবং আমেরিকান এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটগুলোতেও বড় ধরনের বিলম্ব দেখা গেছে।
মার্কিন পরিবহনমন্ত্রী শন ডাফি সতর্ক করে জানিয়েছেন, সরকারি অচলাবস্থা অব্যাহত থাকলে ফ্লাইট বাতিলের হার ২০ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। আগামী সপ্তাহজুড়ে বিমান সংস্থাগুলোকে ফ্লাইট কমানোর এই নির্দেশিকা ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে।
ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডাফি এই অচলাবস্থার জন্য কর্মী সংকটকে দায়ী করেন। তিনি বলেন, ‘মূল সমস্যা হলো এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলাররা বেতন পাচ্ছেন না এবং তারা তাদের দৈনন্দিন কাজের পরিবর্তে রেস্তোরাঁয় পরিবেশক বা উবার চালকের মতো দ্বিতীয় চাকরি নিতে বাধ্য হচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘যদি এই অচলাবস্থা শিগগিরই শেষ না হয়, তাহলে আরও বেশি কন্ট্রোলার কাজে আসবেন না। তখন আমাদের ১০ শতাংশ থেকে ১৫ বা এমনকি ২০ শতাংশ পর্যন্ত ফ্লাইট কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে হতে পারে।’ অচলাবস্থা দ্রুত নিরসনের জন্য কংগ্রেসকে আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অচলাবস্থা শেষ করা হোক এবং কংগ্রেস তাদের বিষয় নিয়ে বিতর্ক করুক। কিন্তু আমেরিকান জনগণ এবং বিমান যাত্রীদের এভাবে জিম্মি করে রাখা উচিত নয়।’
ডাফি উল্লেখ করেন, সরকার পুনরায় চালু হলেও কন্ট্রোলারদের কাজে ফেরা এবং বিমান সংস্থাগুলোর পূর্ণাঙ্গ সময়সূচি পুনরুদ্ধারে কয়েক দিন সময় লাগতে পারে। গত ১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই অচলাবস্থার কারণে এয়ার ট্র্যাফিক কন্ট্রোলার এবং ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (টিএসএ) কর্মকর্তাদের মতো কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীরা বেতন ছাড়াই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















