- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
কাউকে খালি হাতে ফেরত দিতেন না, তাকে কেন মারল— আশরাফুলের স্ত্রীর আহাজারি
- আপডেটেড: রবিবার ১৬ Nov ২০২৫
- / পঠিত : ৯৬ বার

ঢাকায় খুন হওয়া ব্যবসায়ী আশরাফুল হকের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৮টায় জানাজা শেষে তাঁর লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে গতকাল শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে তাঁর লাশ রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার গোপালপুর নয়াপাড়া গ্রামে নিজ বাড়িতে পৌঁছায়।
আশরাফুল কাঁচামাল ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি দানের জন্য স্থানীয়দের কাছে পরিচিত ছিলেন। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হাইকোর্টসংলগ্ন জাতীয় ঈদগাহ মাঠের সামনে নীল রঙের ড্রাম থেকে আশরাফুলের ২৬ টুকরা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় গতকাল শুক্রবার নিহতের ছোট বোন আনজিলা বাদী হয়ে আশরাফুলের বন্ধু ফরেজুল ইসলাম জরেজকে প্রধান আসামি করে ঢাকার শাহবাগ থানায় মামলা করেন।
দাফনের পর আজ শনিবার সকালে আশরাফুলের বাবা আব্দুর রশিদ বলেন, ‘কী দোষ ছিল মোর ছইলের? তাকে ঢাকাত নিয়া যায়া টুকরা টুকরা করিলো জরেজ ও তার প্রেমিকা। মুই বাঁচি থাকতে ওদের ফাঁসি দেখতে চাও। তাহলে মোরিও কিছুটা শান্তি পাইম।’
আশরাফুলের স্ত্রী লাকী বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর কোনো শত্রু ছিল না। এলাকার মানুষ তাঁকে খুব ভালো বাসতেন। কেউ আর্থিক বিপদে পড়লে স্বামীর কাছে আসতেন। তিনি কখনই কাউকে খালি হাতে ফেরত দিতেন না। এই ভালো মানুষটাকে কেন মারলো জরেজ? ও যে তার বন্ধু ছিল?’
মা এছরা খাতুন বলেন, ‘একমাত্র ছেলেসন্তান ছিল আশরাফুল। সে প্রতিদিন আমাদের দুই মানুষের খোঁজখবর নিতেন। চিকিৎসার ওষুধ পাতি আনতেন। এখন কে নিবে খোঁজখবর? কে এনে দিবে ওষুধপাতি?’ এছরা খাতুন বলেন, ‘সন্তানের এই করুণ পরিণতি দেখার আগোত আল্লাহ কেন মোর মৃত্যু করল না।’

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















