- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীদের ওপর কঠোর হলো সিঙ্গাপুর
- আপডেটেড: রবিবার ২৩ Nov ২০২৫
- / পঠিত : ১১১ বার

পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ‘চরম সহিংসতা’ চালানোর অভিযোগে চার ইসরায়েলি বসতিস্থাপনকারীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে সিঙ্গাপুর। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শুক্রবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই চার ব্যক্তির ওপর আর্থিক লেনদেন ও সিঙ্গাপুরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিবৃতিতে তাদের কর্মকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথে হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসা ব্যক্তিরা হলেন মেয়ার মরদেখাই এট্টিঙ্গার, এলিশা ইয়েরেদ, বেন-জিওন গোপস্টেইন এবং বারুখ মারজেল। এর আগে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) এই চার ব্যক্তির ওপর একই ধরনের নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল। এছাড়া, এট্টিঙ্গার ও ইয়েরেদের বিরুদ্ধে কানাডা ও অস্ট্রেলিয়ার এবং গোপস্টাইনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
সিঙ্গাপুরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ‘আন্তর্জাতিক আইন ও দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের সমর্থক হিসেবে আমরা যেকোনো একতরফা দখল বা ভূখণ্ড পরিবর্তনের বিরোধী। কারণ এ ধরনের অপচেষ্টা শান্তির পথে বড় বাধা।’ দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভিভিয়ান বালাকৃষ্ণান ইসরায়েলি রাজনীতিবিদদের সমালোচনা করে বলেন, পশ্চিম তীর বা গাজা সংযুক্ত করার যেকোনো আলোচনা শান্তি প্রক্রিয়াকে আরও দুর্বল করবে। তিনি বিতর্কিত ‘ই-ওয়ান’ বসতি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে বলেন, এটি দ্বিরাষ্ট্র সমাধানকে প্রায় অসম্ভব করে তুলবে। বালাকৃষ্ণান আরও জানান, উপযুক্ত শর্ত পূরণ হলে সিঙ্গাপুর ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দিতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের বড় অংশই পশ্চিম তীরে ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে অবৈধ বলে মনে করে। তবে ইসরায়েল ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় যুক্তিতে এসব বসতিকে বৈধ বলে দাবি করে আসছে।
এদিকে, গাজার পুনর্গঠন ও সুশাসন বিষয়ে ব্রাসেলসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে ৬০টি প্রতিনিধিদল অংশ নিয়েছে। ইইউ জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের শাসনব্যবস্থা শক্তিশালী করা, অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা এবং সার্বিক প্রশাসন পুনর্গঠন করা। ইইউর ভূমধ্যসাগর বিষয়ক কমিশনার ডুব্রাভকা সুইকা বলেন, ‘আমরা একটি টেকসই শাসন কাঠামো গড়ে তুলতে চাই, যা পশ্চিম তীর ও গাজা উভয় অঞ্চলেই কার্যকর হবে।’ ইইউ প্রধান উরসুলা ফন ডার লায়েন বলেন, ‘সংস্কারকৃত ও কার্যকর ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে কেন্দ্র করে একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ বৈঠকে কয়েকটি ইইউ সদস্য দেশ আট কোটি ইউরোর বেশি সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন





















