আজঃ বুধবার ০৪-০২-২০২৬ ইং || খ্রিষ্টাব্দ

ব্যর্থতার দায়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করলেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

  • আপডেটেড: মঙ্গলবার ২৫ Nov ২০২৫
  • / পঠিত : ১০২ বার

ব্যর্থতার দায়ে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করলেন ইসরায়েলি সেনাপ্রধান

 ২০২৩ সালের অক্টোবরে সংঘটিত ঘটনায় গোয়েন্দা ও সামরিক ব্যর্থতার দায়ে ইসরায়েলের সেনাপ্রধান আয়াল জামির একাধিক শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন। স্থানীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এই ব্যর্থতার কারণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর ভাবমূর্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ। এরই জের ধরে রোববার বেশ কয়েকজন কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও অন্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়।

সরকারি গণমাধ্যম ‘কান’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সেনাপ্রধান জামিরের এই সিদ্ধান্তের আওতায় একাধিক অবসরপ্রাপ্ত জেনারেলের সংরক্ষিত সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন সাবেক সামরিক গোয়েন্দা প্রধান আহারন হালিভা, সাবেক সাউদার্ন কমান্ড প্রধান য়ারন ফিঙ্কেলম্যান এবং সাবেক অপারেশনস ডিরেক্টরেট প্রধান ওডেড বাসিয়ুক। যদিও তাদের আগেই মূল দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল, নতুন সিদ্ধান্তে তাদের সংরক্ষিত সদস্যপদও বাতিল করা হলো।

এ ছাড়া গাজা ডিভিশনের সংরক্ষিত কমান্ডার আভি রোজেনফেল্ডকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং ওই ডিভিশনের গোয়েন্দা কর্মকর্তাকে সেনাবাহিনী থেকে পুরোপুরি বহিষ্কার করা হয়েছে।

তবে বিমানবাহিনী প্রধান টোমার বার, বর্তমান সামরিক গোয়েন্দা প্রধান শ্লোমি বাইন্ডার এবং নৌবাহিনী প্রধান ডেভিড সার সালামার মতো অন্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরখাস্ত না করে তাদের বিরুদ্ধে ‘নেতৃত্বের ত্রুটি’ সংক্রান্ত একটি নোট নথিভুক্ত করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, বৈঠকে আহারন হালিভা এবং ইউনিট ৮২০০-এর সাবেক কমান্ডার ইয়োশি সারিয়েল উপস্থিত না থাকায় তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত পরে নেওয়া হবে।

প্রায় দুই সপ্তাহ আগে অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল সামি তুরগেমানের নেতৃত্বে প্রস্তুত করা একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। ওই প্রতিবেদনে ৭ অক্টোবরের হামাসের হামলার বিষয়ে সতর্কবার্তা পেতে ইসরায়েলের গোয়েন্দা ব্যর্থতার বিষয়টি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকর্তার মন্তব্য পাওয়া যায়নি। এর আগে তৎকালীন সেনাপ্রধান হারজি হালেভিসহ কয়েকজন শীর্ষ কমান্ডার দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।

এদিকে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে গাজায় চলমান আগ্রাসনে প্রায় ৭০ হাজার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। এই আগ্রাসনে আহত হয়েছেন কমপক্ষে এক লাখ ৭০ হাজার ৯০০ মানুষ। ইসরায়েলি বোমাবর্ষণে উপত্যকার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে এবং প্রায় সব বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।


নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন

Copyright © 2025. All right reserved OnlinePress24
Theme Developed BY Global Seba