- প্রথম পাতা
- অপরাধ
- অর্থনীতি
- আইন আদালত
- আন্তর্জাতিক
- আবহাওয়া
- ইসলামী বই
- উলামায়ে দেওবন্দ
- এক্সক্লুসিভ
- কৃষি
- খেলাধুলা
- জাতীয়
- জেলা সংবাদ
- ঈশ্বরদী
- কক্সবাজার
- কিশোরগঞ্জ
- কুড়িগ্রাম
- কুমিল্লা
- কুষ্টিয়া
- খাগড়াছড়ি
- খুলনা
- গাইবান্ধা
- গাজীপুর
- গোপালগঞ্জ
- চট্টগ্রাম
- চাঁদপুর
- চাঁপাইনবাবগঞ্জ
- চুয়াডাঙ্গা
- জয়পুরহাট
- জামালপুর
- ঝালকাঠি
- ঝিনাইদহ
- টাঙ্গাইল
- ঠাকুরগাঁও
- ঢাকা
- দিনাজপুর
- নওগাঁ
- নড়াইল
- নরসিংদী
- নাটোর
- নারায়ণগঞ্জ
- নীলফামারী
- নেত্রকোনা
- নোয়াখালী
- পঞ্চগড়
- পটুয়াখালী
- পাবনা
- পিরোজপুর
- ফরিদপুর
- ফেনী
- বগুড়া
- বরগুনা
- বরিশাল
- বাগেরহাট
- বান্দরবান
- ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- ভোলা
- ময়মনসিংহ
- মাগুরা
- মাদারীপুর
- মানিকগঞ্জ
- মুন্সীগঞ্জ
- মেহেরপুর
- মৌলভীবাজার
- যশোর
- রংপুর
- রাঙ্গামাটি
- রাজবাড়ী
- রাজশাহী
- লক্ষ্মীপুর
- লালমনিরহাট
- শরীয়তপুর
- শেরপুর
- সাতক্ষীরা
- সাতক্ষীরা
- সিরাজগঞ্জ
- সিলেট
- সুনামগঞ্জ
- হবিগঞ্জ
- তথ্যপ্রযুক্তি
- ধর্ম
- নির্বাচন
- প্রবাস
- বাংলাদেশ
- বিনোদন
- ব্যবসা-বানিজ্য
- রাজনীতি
মুখে কালো কাপড় বেঁধে সংসদে বিরোধী দলের ওয়াকআউট
- আপডেটেড: রবিবার ০৬ Sep ২০২৬
- / পঠিত : ৪৬ বার

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনে সাধারণ নাগরিক ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে ‘দ্বৈত প্রয়োগ’ রাখা হয়েছে-এমন অভিযোগ তুলে সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী ও জোটের শরিক দলগুলোর সদস্যরা।
রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে বিলটির আলোচনায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তারা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান। এ সময় তাদের কয়েকজনের মুখে কালো কাপড় বাঁধা দেখা যায়।
ওয়াকআউটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান বলেন, সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সরাসরি তদন্ত করতে পারবে। কিন্তু আইনশৃঙ্খলা ও রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে আলাদা প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে। এটিকে আইনের ‘দ্বৈত প্রয়োগ’ বলে অভিযোগ করেন তিনি।
শফিকুর রহমান বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর সদস্যরাও দেশের নাগরিক। একই ধরনের অভিযোগে সাধারণ নাগরিকের বিরুদ্ধে সরাসরি তদন্তের সুযোগ থাকলেও বাহিনীর সদস্যদের ক্ষেত্রে আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান বা বাহিনীর প্রতিবেদন চাওয়ার বিধান গ্রহণযোগ্য নয়।
প্রস্তাবিত বিলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে কমিশনের তদন্ত কর্মকর্তাকে ফৌজদারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তার মতো কিছু ক্ষমতা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে গ্রেপ্তার এবং কর্তৃপক্ষকে আগে না জানিয়ে কোনো স্থান পরিদর্শনের সুযোগও রাখা হয়েছে।তবে আইনশৃঙ্খলা ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগের ক্ষেত্রে পৃথক প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে। প্রথমে সংশ্লিষ্ট বাহিনী বা প্রতিষ্ঠানের কাছে প্রতিবেদন চাইতে পারবে কমিশন। প্রতিবেদন সন্তোষজনক না হলে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা যাবে। এরপরও ব্যবস্থা না নিলে বা তা সন্তোষজনক না হলে কমিশন সাধারণ প্রক্রিয়ায় পরবর্তী ব্যবস্থা নিতে পারবে।
বিরোধী দলের দাবি, এই ব্যবস্থায় মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা দুর্বল করা হয়েছে। বিলটির আলোচনায় অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে শফিকুর রহমান বলেন, দুর্বল আইন প্রণয়নের অংশীদার হতে তারা চান না। এরপর বিরোধী দলের সদস্যরা সংসদ থেকে বেরিয়ে যান।

নিউজ কমেন্ট করার জন্য প্রথমে আপনাকে লগইন করতে হবে লগইন করুন




















